মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

মন্ত্রানালয়/বিভাগ

 

জনাব মোঃ তাজুল ইসলাম, মাননীয় মন্ত্রী, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়

min_TajulIslam

জনাব মোঃ তাজুল ইসলাম
মাননীয় মন্ত্রী
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়

 

            স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জনাব মোঃ তাজুল ইসলাম একজন খ্যাতিমান রাজনীতিক, ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক। তিনি ১৯৫৫ সালে কুমিল্লা জেলার মনোহরগঞ্জ উপজেলার পোমগাঁও গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা আলহাজ্ব জুলফিকার আলী এবং মাতা আনোয়ারা বেগমের গর্বিত সন্তান তিনি।

 

            তাঁর ছাত্রজীবন শুরু হয় পোমগাঁও সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে। তিনি পোমগাঁও উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক, নওয়াব ফয়জুন্নেছা সরকারী কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জন করেন। লন্ডনের এস্টন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একাউন্টিং এন্ড ফিন্যান্স-এ ডিপ্লোমা এবং সাউদার্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ ডিগ্রী লাভ করেন। কর্মজীবনে সফলতার সাথে বহু শিল্প-কারখানা ও ব্যাংক-বীমা প্রতিষ্ঠা করেন। সত্য, নিষ্ঠা ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ শ্রেষ্ঠ জাতি গঠনের লক্ষ্যে একটি দৈনিক পত্রিকা প্রতিষ্ঠিত করেন। মানুষের প্রতি প্রগাঢ় ভালবাসা, দারিদ্রতা দূর ও ন্যায়ভিত্তিক একটি দেশ গঠনের অবদান রাখার লক্ষ্যে ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সহিত প্রত্যক্ষ জড়িত ছিলেন। জাতির পিতার বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণিত এই মানুষটিকে লাকসাম-মনোহরগঞ্জের জনগণ ১৯৯৬, ২০০৮, ২০১৪ এবং ২০১৮ সালে নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত করেন। এবার নির্বাচনের পর নবগঠিত মন্ত্রিসভায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তাঁকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দান করেন। বিগত সংসদ মেয়াদগুলিতে তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয়, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কমিটির সদস্য এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কমিটিতে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বিভিন্ন সময় জাতিসংঘ, এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক ও জাইকা’র বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেন। এছাড়াও তিনি সরকারী ও বেসরকারী প্রয়োজনে যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, ইতালি, জার্মানী, সুইজারল্যান্ড, জাপান ও চীনসহ পৃথিবীর অনেক দেশ ভ্রমণ করেন। 

জনাব স্বপন ভট্টাচার্য্য, এমপি, মাননীয় প্রতিমন্ত্রী, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়  মাননীয় প্রতিমন্ত্রী

State%20minজনাব স্বপন ভট্টাচার্য্য, এমপি
মাননীয় প্রতিমন্ত্রী,

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়

            জনাব স্বপন ভট্টাচার্য্য ১৯৫২ সালের ০২ ফেব্রুয়ারি যশোর জেলার মনিরামপুর উপজেলার পাড়ালা গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। তার পিতার নাম মৃত সুধীর ভট্টাচার্য্য, মাতার নাম- মৃত ঊষা রানী ভট্টাচার্য্য। তাঁর সহধর্মিনী তন্দ্রা ভট্টাচার্য্য যশোর জেলা মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদিকা। চার ভাই ও তিন বোনের মধ্যে বড় ভাই সাবেক এম.পি বীর মুক্তিযোদ্ধা পীযুষ কান্তি ভট্টাচার্য্য আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য। মেজ ভাই প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট অরণ ভট্টাচার্য্য ছিলেন বিজ্ঞ সিনিয়র আইনজীবি এবং নৌ-কমান্ডো হিসেবে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। স্বপন ভট্টাচার্য্য ১৯৬৮ সালে মশিয়াহাটী মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক, ১৯৭০ সালে নওয়াপাড়া কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক এবং ১৯৭৩ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে স্নাতক ডিগ্রী অর্জন করেন। বিবাহিত জীবনে এক কন্যা ও এক পুত্র সন্তানের জনক তিনি।             

ছাত্রজীবন থেকেই তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে সমৃক্ত। মহান মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগষ্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপরিবারে নৃশংস হত্যাকান্ডের প্রতিবাদ করায় ১৯৭৫ সালের ২৭শে অক্টোবর গ্রেফতার হয়ে মরহুম রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান এবং সাবেক পানিসম্পদ মন্ত্রী মরহুম আব্দুর রাজ্জাকসহ অনেকের সাথে দীর্ঘ ১৯ মাস কারাবরণ করেন। পরবর্তীতে দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে উপজেলা ও জেলা আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন। সমাজ সচেতন ব্যক্তি হিসেবে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনে পৃষ্ঠপোষকতায় তাঁর রয়েছে তাৎপর্যপূর্ণ অংশগ্রহণ। একাধারে কপোতাক্ষ লায়ন্স ইন্টারন্যাশনাল ক্লাবের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা, কপোতাক্ষ চক্ষু হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও  যশোর জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাবেক সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি যশোর জেলা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের জেলা আহবায়ক এবং যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক কোষাধ্যক্ষ। এছাড়াও মনিরামপুরের শিক্ষা বিস্তারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। তিনি একাধারে মনিরামপুর মহিলা কলেজের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং গোপালপুর উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা।

তাঁর অর্জনের মধ্যে অনন্য হয়ে আছে ২০০৯ সালে মহামান্য রাষ্ট্রপতি কর্তৃক বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ উপজেলা চেয়ারম্যান পদক লাভ। তিনি ইতোমধ্যে বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করেছেন। উল্লেখযোগ্য হলো- ভারত, নেপাল, চীন, জাপান, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, দুবাই, আরব আমিরাত, রাশিয়া, ওমান, জার্মান, অষ্ট্রিয়া, ইতালী, পোলান্ড, চেক প্রজাতন্ত্র, স্লোভাকিয়া, সুইজারল্যান্ড, ফ্রান্স, বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ড, নরওয়ে, সুইডেন, স্পেন, ফিনল্যান্ড, মিশর, অষ্ট্রেলিয়া এবং ভ্যাটিকান সিটি।

দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত হয়ে তিনি ২০১৪ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত হয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন। 

 

 

জনাব হেলালুদ্দীন আহমদ, সচিব, স্থানীয় সরকার বিভাগ, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়SrSecHelalUddin

জনাব হেলালুদ্দীন আহমদ
সচিব
স্থানীয় সরকার বিভাগ
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়
বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা।

          

            গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সম্মানিত সচিব জনাব হেলালুদ্দীন আহমদ গত ৩০ মে ২০১৯ তারিখে সচিব হিসেবে স্থানীয় সরকার বিভাগ, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমাবয় মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সচিবালয়ে যোগদান করেন। ইতিপূর্বে তিনি ৩০ জুলাই ২০১৭ তারিখে ভারপ্রাপ্ত সচিব হিসেবে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে যোগদান করেন। গত ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ তারিখে সচিব পদে পদোন্নতি প্রাপ্ত হয়ে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে কর্মরত ছিলেন ৩০ মে ২০১৯ পর্যন্ত। তিনি ২৩ মে  ১৯৬৩ সালে কক্সবাজার জেলায় জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় হতে প্রাণিবিদ্যা বিভাগে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। এছাড়াও যুক্তরাষ্ট্রের Duke University হতে ওরিয়েন্টেশন ডিগ্রি অর্জন করেন।  

            জনাব হেলালুদ্দীন আহমদ (আইডি নং-৪৫৫৮) বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন) ক্যাডারের একজন সদস্য। ১৯৮৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার এর কার্যালয়ে সহকারী কমিশনার হিসেবে কিশোরগঞ্জে তিনি চাকরি জীবন শুরু করেন। তিনি মাঠ পর্যায়ে সহকারী কমিশনার, ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা, উপজেলা ম্যাজিস্ট্রেট, সিনিয়র সহকারী কমিশনার, নেজারত ডেপুটি কালেক্টর, পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ড এর ম্যাজিস্ট্রেট, তিনটি উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়রের একান্ত সচিব, জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ) এর উপ-পরিচালক, বাংলাদেশ চা বোর্ড এর উপসচিব, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি জেলা প্রশাসক হিসেবে ২০০৯ সালের মার্চ হতে ২০১২ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ফরিদপুর জেলায় কাজ করেছেন। এরপর Bangladesh Overseas Employment and Services Limited (BOESL) এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে ২০১৩ সালে মাঠ প্রশাসনের সর্বোচ্চ পদ বিভাগীয় কমিশনার পদে দায়িত্ব পালন করেন; রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার পদে প্রায় দুই বছর এবং ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার পদে এক বছরের অধিককাল দায়িত্বরত ছিলেন।

 

 

 

 

            চাকুরিতে যোগদানের পর তিনি বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- বিসিএস ওরিয়েন্টেশন কোর্স, স্পেশাল ফাউন্ডেশন কোর্স, আইন ও প্রশাসন কোর্স, ভুমি ব্যবস্থাপনা প্রশিক্ষণ, সার্ভে ও সেটেলমেন্ট প্রশিক্ষণ, দুর্যোগ মোকাবেলায় পরিকল্পনা ও  ব্যবস্থাপনা, ম্যানেজিং অ্যাট দ্য টপ-২, প্রফেশনাল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম, আঞ্চলিক খাদ্য নিরাপত্তা প্রোগ্রাম, ইউনিভার্সালাইজেশন অব প্রাইমারি এডুকেশন ইত্যাদি।

 

            প্রশিক্ষণ গ্রহণ, আন্তর্জাতিক সেমিনার, ওয়ার্কশপ ও সরকারি দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, চীন, সিংগাপুর, থাইল্যান্ড, ভারত, কাতার, বাহরাইন, কুয়েত, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও নেপালসহ তিনি বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করেছেন।  

 

            চাকুরি ছাড়াও তিনি সামাজিক সংগঠনের সাথেও জড়িত। তিনি বর্তমানে বিসিএস ’৮৫ ফোরামের সহ-সভাপতি এবং বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি, তিনি  ঢাকাস্থ রামু সমিতির উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য এবং চট্টগ্রাম সমিতির কার্যনির্বাহী পরিষদের সহ-সভাপতি।

 

            রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার থাকাকালে “পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন, ২০১০বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সর্বাত্মক অভিযান পরিচালনায় পরিকল্পনা, নেতৃত্বদান ও সমন্বয়কারী হিসেবে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। এর স্বীকৃতিস্বরূপ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী গত ৬ মার্চ ২০১৬ তারিখে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে তাকে শ্রেষ্ঠ বিভাগীয় কমিশনারের পুরস্কার প্রদান করেন। এছাড়াও ভুমি ব্যবস্থাপনায় বিশেষ অবদানের জন্য “Public Service Innovation” পুরস্কার পেয়েছেন।

 

ব্যক্তিগত জীবনে তিনি এক পুত্র ও এক কন্যার জনক। তিনি জনকল্যাণমুখী সরকারি কর্মকর্তা, জনসাধারণকে সেবা করাই তার মূল লক্ষ্য। দীর্ঘ চাকুরি জীবনে তিনি সততা, নিষ্ঠা, দক্ষতা ও প্রগতিশীলতার সাথে সরকারি দায়িত্ব পালন করে চলেছেন।

 

 

Khalilur_Rahman

প্রকৌশলী মোঃ খলিলুর রহমান, প্রধান প্রকৌশলী, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)

মোঃ খলিলুর রহমান, প্রধান প্রকৌশলী 

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি), ঢাকা

 

           

                 জনাব মোঃ খলিলুর রহমান ১৯৬০ সালের ১২ ডিসেম্বর গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম মোঃ রহম আলী এবং মাতার নাম গোলাপী বেগম।

তিনি ১৯৭৫ সালে এসএসসি এবং ১৯৭৭ সালে এইচএসসি পাস করেন। ১৯৮২ সালে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এ স্নাতক এবং ২০০০ সালে ইংল্যান্ডের বার্মিংহাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে হাইওয়ে ম্যানেজমেন্ট এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।

 ১৯৮৩ সালের ১৬ মে সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে তৎকালীন পল্লী পূর্ত কর্মসূচিতে যোগদানের মাধ্যমে তিনি কর্মজীবন শুরু করেন। কর্মজীবনে তিনি বিভিন্ন উপজেলায় উপজেলা প্রকৌশলী এবং বিভিন্ন জেলায় নির্বাহী প্রকৌশলীর দায়িত্ব পালন করেন।

 ২০১২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তিনি তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী হিসেবে পদোন্নতি প্রাপ্ত হয়ে বরিশাল অঞ্চল ও এলজিইডি সদর দপ্তরের ডিজাইন ইউনিটে দায়িত্ব পালন করেন।

 ২০১৫ সালের নভেম্বর মাসে তিনি অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী হিসেবে পদোন্নতি পান। এ সময় তিনি প্রথমে ঢাকা বিভাগের দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে তিনি অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা) হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনি ৮ মে ২০১৯ এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত হন এবং ৯ মে ২০১৯ পূর্বাহ্নে এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।

 

ছবি


সংযুক্তি


সংযুক্তি (একাধিক)



Share with :

Facebook Twitter